| শিরোনাম |
|
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পেলেন তরুণ সাহিত্যিক সম্মাননা
জাককানইবি প্রতিনিধি :
|
![]() নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পেলেন তরুণ সাহিত্যিক সম্মাননা তার প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘টক টু মি’ এর জন্য তিনি এ সম্মাননা লাভ করেন। শুক্রবার (৪ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার হিসেবে উম্মে ফারহানার হাতে এক লাখ টাকার চেক, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননা পাওয়ার পর অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাহিত্যিক বা লেখক হিসেবে এটি আমার জেতা প্রথম পুরস্কার। অনেক আগে থেকেই লেখালেখি করলেও সেগুলো সংকলিত হতো না। পরবর্তীতে সেই গল্পগুলো দিয়েই আমার বই লেখা শুরু। এই অনুভূতি সত্যিই দারুণ। ভবিষ্যতেও লেখালেখির সঙ্গে থাকতে চাই।’ এবারের আসরে বাংলা সাহিত্যের অন্য দুই গুণী লেখকও পুরস্কৃত হয়েছেন। আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন খ্যাতিমান লেখক, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক হাসনাত আবদুল হাই। প্রবন্ধ, আত্মজীবনী, ভ্রমণ ও অনুবাদ (মননশীল) শাখায় ‘প্লেটো প্রবেশিকা’ গ্রন্থের জন্য অনুবাদক আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং কবিতা ও কথাসাহিত্য শাখায় (সৃজনশীল) ‘আমাদের পরাবাস্তব টাউনের দিনরাত্রি’ গ্রন্থের জন্য ধ্রুব এষ পুরস্কার অর্জন করেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। এছাড়া হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সমকালের কর্ণধার এ কে আজাদ, ব্র্যাক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন, জুরি বোর্ডের সদস্য গবেষক ও প্রাবন্ধিক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস এবং সমকালের সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এবারের সাহিত্য পুরস্কারের তিন শাখায় মোট ৪৬৭টি বই জমা পড়ে। সেখান থেকে বাছাই শেষে ১৮টি বই চূড়ান্তভাবে জুরি বোর্ডের কাছে পাঠানো হয় এবং নির্বাচিত সেরা তিনটি বইকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। |