| শিরোনাম |
|
গাজায় ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র ঘিরে ‘অসহনীয় পরিস্থিতি’, ইইউর তীব্র সমালোচনা
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() গাজায় ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র ঘিরে ‘অসহনীয় পরিস্থিতি’, ইইউর তীব্র সমালোচনা শুক্রবার (৪ জুলাই) বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে আয়োজিত এক মধ্যাহ্ন ব্রিফিংয়ে ইইউ কমিশনের মুখপাত্র আনোয়ার এল আনুনি বলেন, æজিএইচএফ-এর বিতরণ কেন্দ্রগুলো এবং সেগুলোর চারপাশে যা ঘটছে, তা একেবারেই সহ্য করার মতো নয়। এমন সহিংসতা চলতে পারে না, অবিলম্বে তা বন্ধ করতে হবে।” ইইউ মুখপাত্র বলেন, æমানবিক সহায়তা কখনোই রাজনৈতিক বা সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। এটি অবশ্যই জাতিসংঘের সমন্বয়ে ও আন্তর্জাতিক মানবিক নীতিমালার আলোকে পরিচালিত হতে হবে।” তিনি আরও বলেন, æইউরোপীয় ইউনিয়ন হিসেবে আমরা জিএইচএফ-এর কোনো প্রকল্পে অর্থায়ন করছি না, এবং এদের সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতাও করছি না।” উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গাজায় ৫৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। লাগাতার বোমাবর্ষণ ও অবরোধে বিধ্বস্ত হয়েছে গোটা গাজা উপত্যকা। গত মার্চ মাসে ইসরায়েল গাজায় সব রকম পণ্য ও সরবরাহ প্রবেশ বন্ধ করে দেয়। এর মধ্যে মে মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ও ইসরায়েল সমর্থিত সংগঠন জিএইচএফ সেখানে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু এই বিতরণ কেন্দ্রগুলো ঘিরেই সম্প্রতি একাধিক প্রাণহানি ঘটেছে, যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইইউ মুখপাত্র আনোয়ার এল আনুনি একই ব্রিফিংয়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, æইরান কখনোই পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না।” আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএ (IAEA)-র প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, æআমরা এখন পর্যন্ত যা দেখছি, তা কোনো ‘বৈধ বেসামরিক উদ্দেশ্যের’ সঙ্গে মেলে না।” উল্লেখ্য, ইরান দাবি করে থাকে যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিছক শান্তিপূর্ণ, এবং তা এনপিটি ও ২০১৫ সালের ( JCPOA) চুক্তির আওতায় বৈধ। তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি |