| শিরোনাম |
|
ফের ইসরায়েলি হামলায় গাজায় একদিনে নিহত আরও ৫২ ফিলিস্তিনি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() ফের ইসরায়েলি হামলায় গাজায় একদিনে নিহত আরও ৫২ ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই দমন-পীড়নের ফলে গাজায় এখন পর্যন্ত মোট ৫৪ হাজার ৪৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শুধু গত ২৪ ঘণ্টাতেই ৫২ জনের লাশ বিভিন্ন হাসপাতালে আনা হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন ৫০৩ জন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৯৩ জনে। আরও জানানো হয়, বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন কিংবা রাস্তায় পড়ে আছেন। তাদের উদ্ধারে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। জরুরি উদ্ধারকর্মীরা অনেক এলাকায় পৌঁছাতেই পারছেন না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে নতুন করে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ২০১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১২ হাজার ৬৫২ জন আহত হয়েছেন। এই আক্রমণকে 'বর্বর' আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের চুক্তির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। অর্থাৎ তারা ঘরবাড়ি হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়ে পড়েছেন। এছাড়া গাজার হাসপাতাল, স্কুল, রাস্তা, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা—অধিকাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার অভিযোগেও অভিযুক্ত হয়েছে ইসরায়েল। গাজায় প্রতিনিয়ত যেভাবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, তা শুধু মানবিক বিপর্যয়ই নয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালারও চরম লঙ্ঘন। যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও হামলা বন্ধ না হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা গাজায় জরুরি মানবিক সহায়তা এবং যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি |