| শিরোনাম |
|
স্বেচ্ছায় ফেরত যেতে চাওয়া অভিবাসীদের সহায়তা দেবে ট্রাম্প প্রশাসন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() স্বেচ্ছায় ফেরত যেতে চাওয়া অভিবাসীদের সহায়তা দেবে ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পরের সময় থেকে। এরপরই তিনি একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যার আওতায় নথিবিহীন অভিবাসীদের গ্রেপ্তার ও নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। হোমল্যান্ড সিকিউরিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব অভিবাসী সিবিপি হোম অ্যাপের মাধ্যমে জানাবেন যে তারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে চান, তাদের বন্দিশালায় আটক রাখা হবে না কিংবা জোরও করা হবে না। মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম এ উদ্যোগকে æসবচেয়ে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী” উপায় হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, যেসব অভিবাসী এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন, তারা একদিকে যেমন মানবিকভাবে বিবেচিত হবেন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের পক্ষ থেকেও কম খরচে অভিবাসন সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। বর্তমানে একজন অবৈধ অভিবাসীকে জোর করে ফেরত পাঠাতে সরকারকে গড়ে ১,৭০০ ডলার ব্যয় করতে হয়। অথচ স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়া অভিবাসীদের ক্ষেত্রে ব্যয় অনেকটাই কম হবে, পাশাপাশি প্রশাসনিক চাপও কমবে। ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, ২০ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৫২ হাজার অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এই সংখ্যা যদিও বাইডেন প্রশাসনের সময়ের তুলনায় কম, কারণ তখন একই সময়ের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৯৫ হাজার অভিবাসী ফেরত পাঠানো হয়েছিল। ট্রাম্প নিজেও জানিয়েছেন, যারা ভালো এবং আইনি পন্থায় যুক্তরাষ্ট্রে আসতে চান, ভবিষ্যতে তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। তার মতে, অভিবাসন পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়—কেবল অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধেই এই পদক্ষেপ। তাই এ উদ্যোগ শুধু অভিবাসীদের নয়, যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও এক বাস্তবভিত্তিক ও মানবিক সমাধান হয়ে উঠতে পারে। তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা |