মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ ০২:০৭:৫১ এএম
শিরোনাম নেতানিয়াহুর সমালোচনায় ইসরায়েলি সেনাপ্রধান       কোপায় মঞ্চ মাতালেন শাকিরা       জরুরি বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়       যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে গেছেন ৪০০ কোটি টাকার পিয়ন       সন্ত্রাসীরা কমপক্ষে ১০০ জন শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালিয়েছে: ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক       সিরিয়ায় হামলা, ইসরাইলকে হুঁশিয়ারি রাশিয়ার       কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী      
আমাকে হত্যার পরিকল্পনার পিছনে দেশের বড় বড় কিছু লোক জড়িত: সুমন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
Published : Wednesday, 3 July, 2024
আমাকে হত্যার পরিকল্পনার পিছনে দেশের বড় বড় কিছু লোক জড়িত: সুমন

আমাকে হত্যার পরিকল্পনার পিছনে দেশের বড় বড় কিছু লোক জড়িত: সুমন

‘হত্যার পরিকল্পনার’ রহস্য উদ্ঘাটন করা পুলিশের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হককে (ব্যারিস্টার সুমন) বলেছেন, কন্ট্রাক্ট কিলারদের কিছু সদস্য আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছে। এর পেছনে দেশের বড় বড় কিছু লোক জড়িত। এ কন্ট্রাক্ট কিলারদের মধ্যে ওই ব্যক্তিটিও ছিল। যখন সে আমার নাম শুনতে পায়, তখনই সে এ কন্ট্রাক্ট কিলিং থেকে সরে আসে। কারণ, ওই ব্যক্তি আমাকে পছন্দ করে ও আমার একজন ভক্ত। পাশাপাশি সে একজন সিলেটি। সে সিলেটি দরদি হয়েই এ গোপনীয়তা আমাকে জানাতেই ওসির কাছে ফোন নম্বরটি চেয়েছিল।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) সংসদ সদস্য সায়েদুল হক বলেন, এবার বিষয়টি ভিন্ন। কারণ, আমার থানার ওসি এসে যখন আমাকে এ ঘটনাটি জানান এবং এ তথ্য প্রদানকারীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলিয়ে দেন, তখনই আমি ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে ঢাকায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। আমার মৃত্যুর পর শোক প্রস্তাবের চেয়ে আমি জীবিত থাকা অবস্থায় নিশ্চিত হওয়া দরকার কেন আমাকে হত্যা করা হবে। তবে আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।

এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যার পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন সংসদ সদস্য সায়েদুল হক। সেখানে তিনি দাবি করেন, চুনারুঘাট থানার ওসির কাছ থেকে জানতে পেরেছেন, তাকে হত্যা করার জন্য চার থেকে পাঁচজনের অজ্ঞাতনামা একটি দল মাঠে নেমেছে। এ অবস্থায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। হবিগঞ্জ পুলিশের পাশাপাশি পুলিশ সদর দপ্তর থেকেও এ ঘটনার তদন্ত চলছে।

এরও আগে ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার পরিকল্পনার বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় জানান, গত ২৮ জুন রাতে অজ্ঞাত পরিচয়ে এক ব্যক্তি প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে কল করে তার কাছে ব্যারিস্টার সুমনের ফোন নম্বর চান। তখন ওসি ওই ব্যক্তির কাছে জানতে চান, কেন তার নম্বর প্রয়োজন? উত্তরে ওই ব্যক্তি জানান, ব্যারিস্টার সুমনের সঙ্গে জরুরি কথা বলতে চান তিনি। এ ফোন নম্বর না দিলে আত্মহত্যা করবেন। ওসি সংসদ সদস্যের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে ওই ব্যক্তিকে ফোন নম্বরটি দেননি। এর কিছুক্ষণ পরই ওই ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপে একটি খুদে বার্তা পাঠান এবং পরে তা ডিলিট করে দেন। এর কিছুক্ষণ পর আবারও একটি খুদে বার্তা পাঠান ওই ব্যক্তি। তাতে লেখা ছিল, ব্যারিস্টার সুমনের কিছু শত্রু আছে, যারা তাঁর ক্ষতি করতে পারে। এটিও পরে ডিলিট করে দেওয়া হয়।

ওসি হিল্লোল রায় আরও জানান, এ বার্তা পেয়ে তিনি কিছুটা নড়েচড়ে বসেন। তিনি এর পরদিন (২৯ জুন) সংসদ সদস্যের চুনারুঘাটের বাড়িতে গিয়ে দেখা করে বিষয়টি তাকে জানান। তখন ওই অজ্ঞাত ব্যক্তির ফোন নম্বরটি দেয়া হয় ব্যারিস্টার সুমনকে। তিনি ওই ব্যক্তির সঙ্গে প্রায় ১০ থেকে ১২ মিনিট কথা বলেন। এ ঘটনার পরপরই ওই দিন (২৮ জুন) পুলিশের পক্ষ থেকেও একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে চুনারুঘাট থানায়। পাশাপাশি এ ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান। এ ঘটনাটি হবিগঞ্জ পুলিশের পাশাপাশি সদর দপ্তর থেকেও ব্যাপক তদন্ত করছে।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : [email protected], [email protected], [email protected], [email protected], web : www.gonokantho.com