| শিরোনাম |
|
বাঁশখালীতে আজানের সময় গান বন্ধ করতে বলায় সংঘর্ষ আহত-৩, এলাকায় উত্তেজনা
বাঁশখালী(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি :
|
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মনকিচর দিঘীরপাড় এলাকায় আজানের সময় উচ্চস্বরে গান বাজানো বন্ধ করতে বলাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ ইউসুফ (৫৫) ও তার ছেলে মোহাম্মদ সিরাজ (২৮) গুরুতর আহত হন। ইউসুফের অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মাগরিবের আজানের সময় একটি সিএনজি অটোরিকশায় মাইক সংযোগ দিয়ে উচ্চস্বরে গান বাজানো হচ্ছিল। এ সময় এলাকার বাসিন্দা আসহাব মিয়া তালুকদারের ছেলে মোহাম্মদ ফারুক সিএনজি চালককে গান বন্ধ করতে অথবা গাড়িটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে অনুরোধ করেন। তিনি জানান, তখন আজানের সময় ছিল এবং তার বাড়িতে অসুস্থ রোগীও ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনার জেরে সিএনজি চালক বদি আলম, শফি আলম ও আলী আকবরের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে ফারুকের বাড়িতে হামলা চালায়। ফারুককে না পেয়ে হামলাকারীরা বাড়িতে থাকা নারী সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ফারুকের মামা মোহাম্মদ ইউসুফ ও মামাতো ভাই মোহাম্মদ সিরাজ তাকে রক্ষার জন্য এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদের ওপরও আক্রমণ চালায়। হামলায় দুজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। বর্তমানে মোহাম্মদ ইউসুফ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং মোহাম্মদ সিরাজ বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ ফারুক বলেন, “আমি শুধু আজানের সময় হওয়ায় গান বন্ধ করতে বলেছিলাম। পাশাপাশি বাড়িতে অসুস্থ রোগী থাকায় গাড়িটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে অনুরোধ করি। কিন্তু তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে গালাগালি করে এবং পরে সংঘবদ্ধ হয়ে বাড়িতে হামলা চালায়। আমাকে রক্ষা করতে গিয়ে আমার মামা ও মামাতো ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন।” এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। |