| শিরোনাম |
|
হোমনায় ২ মাস ১৮ দিনেও উদঘাটিত হয়নি মনিপুরের ট্রিপল মার্ডারের রহস্য
আইয়ুব আলী, হোমনা
|
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার উত্তর মনিপুরে ঘটে যাওয়া আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের ২ মাস ১৮ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা । এদিকে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা অজানা আতঙ্কে মুখ খুলতে চাইছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। ঘটনার পর থেকে নিহত পরিবারের স্বজনদের আচরণে ভীত-সন্ত্রস্ত ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা খোলামেলা কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করছেন, যা গ্রামবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। গ্রামবাসীরা মনে করেন, এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জোর দেওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে— তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কল রেকর্ড ও মোবাইল ডাটা বিশ্লেষণ, পরিবারের সাথে কোন বিরোধ ছিল কি না, আত্মীয় স্বজন , মহল্লাবাসী ও প্রতিবেশীদের বক্তব্য , বিশেষ করে ঘটনার রাতে বাড়িতে যারা ছিলেন তাদের বিস্তারিত জবানবন্ধী গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা জরুরী।নিহত সুখি আক্তারের জা, এবং নিহত হাসানের মা এখনো জীবিত আছেন এবং নিহত সুখি বেগমের মেয়ে ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উৎস হতে পারেন। এ ছাড়া এ পরিবারের সাথে কোন বিষয় নিয়ে কারোর কোনো বিরোধ বা দ্বন্দ্ব ছিল কিনা, এনিয়ে কোন শালিস বৈঠক হয়েছিল কিনা, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা উচিত বলে মনে করছেন তারা। এ দিকে সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ধীরে ধীরে অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা আশংকা করছে ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে? নাকি কোন প্রভাবশালীর মহলের ইশারায় চাঞ্চল্যকর হত্যার রহস্য রহস্যই থেকে যাবে? এলাকাবাসী মনে করেন দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে দ্রুত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। জানাগেছে গত ১৬ ফেব্রুয়ারী রাতে উত্তর মনিপুরের প্রবাসি জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখি(৩২), তার শিশুপুত্র মো৷ হোসাইন (৪) ও ভাতিজা জোবায়ের(৫)কে গলা কেটে হত্যা করে দূর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে জহিরুল ইসলাম দেশে এসে তাদের দাফন কাফন করে আবার প্রবাসে চলে গেছে। |