| শিরোনাম |
|
এক সুন্দর অনুপ্রেরণার ছোঁয়া, ঢাকা কলেজে শিক্ষার্থীদের মাঝে ড. মিহির লাল সাহা
রানা আহম্মেদ (গণকন্ঠ প্রতিনিধি)
|
ঢাকা কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য গত(৫) মে তারিখ ছিল এক ব্যতিক্রমী ও স্মরণীয় দিন। দিনটিকে বিশেষ করে তুলেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা অধ্যাপক ও জীববিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. মিহির লাল সাহা, যিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক প্রাণবন্ত ও আন্তরিক সেশনে অংশ নেন।সাধারণত খ্যাতিমান শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একটি দূরত্ব থাকে। তবে ড. সাহা সেই চিত্র ভেঙে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একেবারে আপন হয়ে কথা বলেন। তিনি মনোযোগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন শোনেন এবং সহজ, সাবলীল ভাষায় উত্তর দেন। উদ্ভিদবিজ্ঞান ও অণুজীববিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোও তাঁর উপস্থাপনায় হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও বোধগম্য। সেশনে তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন উদ্ভিদ সম্পর্কে ধারনা দেয় এবং উদ্ভিদ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে। সেশনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, এটি কেবল একটি একাডেমিক আলোচনা ছিল না বরং ছিল অনুপ্রেরণায় ভরা একটি অভিজ্ঞতা। ড. সাহার আন্তরিকতা, বাস্তব উদাহরণ ভিত্তিক ব্যাখ্যা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তাদের মধ্যে নতুন করে শেখার আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। ড. মিহির লাল সাহা দেশের বিজ্ঞান অঙ্গনে সুপরিচিত একটি নাম। জাপানের উৎসুনোমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। অণুজীববিজ্ঞান, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ে তাঁর গবেষণা দেশ-বিদেশে সমাদৃত। শিক্ষাদানের পাশাপাশি তিনি প্রশাসনিক দায়িত্বেও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে তিনি শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। গত ৫ তারিখের এই বিশেষ সেশনটি আয়োজনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ঢাকা কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক বিথিয়া সঞ্চিতা সমাদ্দার। তাঁর উদ্যোগেই শিক্ষার্থীরা এমন একটি মূল্যবান সেশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। এজন্য উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাঁর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা তৈরিতেও ড. সাহা সবসময় সক্রিয়। বিশেষ করে প্লাস্টিক দূষণ রোধে তাঁর ভূমিকা প্রশংসনীয়। |