| শিরোনাম |
|
২০০৯ সালের পর জন্মানোরা কখনো সিগারেট কিনতে পারবেন না
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
|
![]() ২০০৯ সালের পর জন্মানোরা কখনো সিগারেট কিনতে পারবেন না ৩৫ বছরে ধূমপান অর্ধেক কমেছে, এবার পুরোপুরি নির্মূলের লক্ষ্য এই বিলটি ২০২৪ সালে প্রথম উত্থাপন করেছিলেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। তার পরিকল্পনা ছিল প্রতি বছর ধূমপানের ন্যূনতম বয়স এক বছর করে বাড়ানো হবে। ফলে আজকের কিশোর প্রজন্ম কখনোই বৈধভাবে সিগারেট কিনতে পারবে না। বর্তমানে লেবার পার্টির অধীনে এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার পথে। যুক্তরাজ্য সরকার ২০১৯ সালেই ২০৩০ সালের মধ্যে ইংল্যান্ডকে ধূমপানমুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যেখানে ধূমপানের হার ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। গত ৩৫ বছরে ব্রিটেনে ধূমপানের হার অর্ধেকে নেমেছে। ২০০৭ সালে পাবলিক স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ এবং ২০১৬ সালে সিগারেটের সাধারণ প্যাকেজিং চালু এই অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। সমালোচনায় লিজ ট্রাস ও বরিস জনসন, কালোবাজারের আশঙ্কা তবে এই আইন নিয়ে সমালোচনাও কম নেই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস একে রাষ্ট্রের অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়েছেন, যা ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপন্থী বলে মনে করেন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এই উদ্যোগকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন। সমালোচকদের মতে, এতে কালোবাজার তৈরি হতে পারে এবং সরকারের রাজস্ব কমতে পারে। নিউজিল্যান্ড ব্যর্থ, মালদ্বীপ সফল, যুক্তরাজ্য কোন পথে যাবে উল্লেখযোগ্য যে, নিউজিল্যান্ড ২০২২ সালে একই ধরনের আইন চালু করলেও পরে তা বাতিল করে দেয়। অন্যদিকে মালদ্বীপ ২০২৫ সালে ২০০৭ সালের পর জন্ম নেওয়াদের জন্য এমন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে। নতুন এই আইনে ভেপিং বা ই-সিগারেট নিয়ন্ত্রণেও কঠোর বিধিনিষেধের প্রস্তাব রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ভেপিংও পুরোপুরি নিরাপদ নয় এবং এটি ধূমপান ছাড়ার কার্যকর সমাধান হিসেবে এখনো নিশ্চিত নয়। সূত্র: বিবিসি |