| শিরোনাম |
|
প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই বেরোবিতে জোরপূর্বক রুম দখলের অভিযোগ বিএনসিসির বিরুদ্ধে
বেরোবি প্রতিনিধি
|
![]() প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই বেরোবিতে জোরপূর্বক রুম দখলের অভিযোগ বিএনসিসির বিরুদ্ধে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে ওই রুম দখলে নেয় বিএনসিসির সদস্যরা। জানা যায়, বুধবার সকালে বিএনসিসির বেরোবি ইউনিটের সার্জেন্ট শাওনের নেতৃত্বে রুমের তালা ভাঙা হয় এবং জোরপূর্বক রুম দখল নেয়। এরপর নিজেদের বর্তমান রুমে প্রশাসন অনুমতি ছাড়া বাঁধনকে দেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সবচেয়ে সুশৃংখল, ন্যায়পরায়ণ ইত্যাদি সবচেয়ে বেশি থাকে বিএনসিসির মধ্যে কিন্তু তাদের বেরোবিতে তাদের এমন কার্যক্রমে হতভম্ব সাধারণ শিক্ষার্থীরা। একাধিক শিক্ষার্থী জানান, কোনো দিবস বা অনুষ্ঠানে গার্ড অব ওনার ছাড়া বিএনসিসিকে তেমন কোনো কার্যক্রম দেখা যায় না। এছাডাও দিবস গুলোতে দেখা যায় ভিসির ফুলের তোড়া নিয়ে বিএনসিসি আর স্কাউটের মধ্যে কাড়াকাড়ি দেখা যায়৷ এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে তাদের দেখা না যাওয়ায় তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এছাড়াও সিনিয়র থাকা সত্ত্বেও জুনিয়রকে সর্বোচ্চ আরে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বর্তমান বিএনসিসি নেতৃবৃন্দদের বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক বিএনসিসি সদস্য জানান, শাওন যে (.......তার র্যাংক হবে) ১৫ ব্যাচ জুনিয়র শিক্ষার্থী তাকে....... র্যাংক দেওয়া হয়েছে। এমন স্বজন প্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিএনসিসির ওপর আমার আস্তা উঠে গেছে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদ নিহত হওয়ার দিন বিএনসিসির স্টাফ নূর নবীকে ছাত্র জনতার উপরে ইট পাটকেল ছুটতে দেখা যায়। সিসিটিভি ফুটে যে দেখা যায় তিনি রাগান্বিত হয়ে তেরে এসে ছাত্র জনতার উপর ইট পাটকেল ছবি। এই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে বরখাস্ত করে। কার নির্দেশনায় রুমের তালা ভেঙে প্রবেশ করেছে জানতে চাইলে শাওন জানান, আমরা প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই রুমে প্রবেশ করেছি। আপনি প্রশাসনের থেকে শুনতে পারেন। রুমের অনুমতির ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাহরিয়ার আকিফ বলেন, এখন পর্যন্ত কাউকে কোনো রুম বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। বিএনসিসির পিইউও এবং বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী প্রক্টর ইফফাত আরা বাঁধন বলেন, এ বিষয়ে আপনারা রেজিস্ট্রারের সাথে যোগাযোগ করুন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী বলেন, আমরা অফিসিয়ালি কাউকে রুম বরাদ্দ দেই নি৷ এমন কার্য যদি বিএনসিসি করতে থাকে তা খুবই অন্যায় করেছে। যে শিক্ষক এর দায়িত্বে আছে ডেকে তার কাছে জানতে চাওয়া হবে। |