| শিরোনাম |
|
কুড়িগ্রামে নারিকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদল নেতাদের তান্ডব
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
|
![]() কুড়িগ্রামে নারিকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদল নেতাদের তান্ডব অভিযোগ সূত্রে জাা যায়, কুড়িগ্রাম শহরতলির কৃষ্ণপুর পাইকপাড়া গ্রামের স্বাস্থ্যকর্মী জুয়েল হোসেনের বাসায় ১৬ মার্চ শবে কদরের রাতে একদল যুবক তিনটি নারিকেল চুরি করে। পরে জুয়েল হোসেনের ছেলে মাহফুজ রহমান সজিব মটরসাইকেলযোগে দ্রুত যেয়ে যুবকদের কাছে চুরির কারণ জানতে চায়। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে সংঘর্ষে জুড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে একা পেয়ে সজিবকে ব্যাপক মারধর শুরু করে। তাৎক্ষনিক বাড়ির মালিক জুয়েল হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার ছেলেকে রক্ষার চেষ্টা করলে তাকেও বেধড়ক মারপিট করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পিতা-পুত্র পিছু হটে বাড়িতে ফিরে যায়। ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মিলন রহমান, বিজয় ও রোকনসহ ৩০-৩৫জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জুয়েল হোসেনের বাড়িতে তান্ডাব চালায়। এসময় তার স্ত্রী এগিয়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলা দেয়া হয়। ঘরে ঢুকে ফ্রিজে ভাঙচুর করে এবং ট্রাংকে থাকা চার লাখ টাকা লুট করে। এ সময ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জুয়েল রহমান ও তার সন্তান মাহফুজার রহমান সজিব কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করে। ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের হামলায় আহত মাহফুজার রহসান সজিব ও জুয়েল রহমান বলেন, “ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা আমার বাড়ির ডাব চুরি করেছে। আমি এবং আমার ছেলে এর প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের বাড়িতে এসে তান্ডব চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং দু’জনকেই বেধড়ক মারপিট করে। এছাড়া বাড়িঘর নির্মাণের জন্য ট্রাংকে থাকা গচ্ছিত ৪ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকেও গ্রেফতার করেনি। আমি এর বিচার চাই।” কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জোবায়েল হিমেল বলেন, “আমি ঘটনাটি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে উভয়পক্ষের মধ্যে যারা দোষী তাদের শাস্তি দাবি করছি। তবে যতটুকু জানি নারকেল চুরির ঘটনায় বাড়িওলা এবং তার ছেলে একজন অসহায় ছেলেকে মারপিটকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম মুঠোফোনে বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” |