রোববার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০৪:০২ পিএম
শিরোনাম আবাসন খাত সংস্কারে অঙ্গীকার রিহ্যাব নির্বাচনে পরিচালক নির্বাচিত আবদুল গাফফার মিয়াজী       বেতাগীতে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, খোলা আকাশের নিচে অসহায় পরিবার পানির অভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ, সহায়তার অপেক্ষায় রাসেল খানের পরিবার       চুয়াডাঙ্গা জীবননগরে ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য        বান্দরবানে পর্যটকবাহী গাড়ি উল্টে আহত ৯        রায়পুরে ৩৫০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ       চুয়াডাঙ্গা ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ দুই পরিবার       কুয়াকাটায় জ্বালানি সংকটে ভুগছে ব্যবসায়ীরা, ভোগান্তিতে পর্যটক       
জুলাই আন্দোলনে দায়িত্বশীল ভূমিকা: পাবনা ও রমনা এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন ডিসি মাসুদ আলম, সাহসিকতায় আলোচনায় পুলিশ কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম খান পুলক।।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
Published : Wednesday, 11 March, 2026
জুলাই আন্দোলনে দায়িত্বশীল ভূমিকা: পাবনা ও রমনা এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন ডিসি মাসুদ আলম, সাহসিকতায় আলোচনায় পুলিশ কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম খান পুলক।।

জুলাই আন্দোলনে দায়িত্বশীল ভূমিকা: পাবনা ও রমনা এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন ডিসি মাসুদ আলম, সাহসিকতায় আলোচনায় পুলিশ কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম খান পুলক।।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের উত্তাল সময় এবং পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের অনেক কর্মকর্তা। দায়িত্ব, পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার কারণে তাদের মধ্যে কয়েকজন কর্মকর্তা বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের সময় পাবনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিন-রাত কাজ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। একইভাবে ৫ আগস্ট ২০২৫–এর পর রাজধানীর রমনা এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আন্দোলন-পরবর্তী অস্থির সময়ে রমনা এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জনসাধারণের নিরাপত্তা রক্ষা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি দিন-রাত কাজ করেছেন। তার নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা টানা দায়িত্ব পালন করে এলাকাকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন।
অন্যদিকে একই সময় সাহসিকতা ও দায়িত্ববোধের কারণে আলোচনায় আসেন পুলিশ কর্মকর্তা সিনিয়র এস আই মাইনুল ইসলাম খাঁন পুলক। বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াননি; বরং জনগণের পাশে থেকে দায়িত্ব পালনের উদাহরণ স্থাপন করেন।
সূত্র জানায়, আন্দোলনের পরবর্তী সময় বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন থানার কার্যক্রম অনেক জায়গায় ভেঙে পড়েছিল। প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় অনেক স্থানে থানার কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে শাহবাগ থানায় দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসেন মাইনুল ইসলাম খান পুলক।
জানা যায়, ওই সংকটময় সময়ে তিনি আরও দুই সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে থানার কার্যক্রম চালু রাখার উদ্যোগ নেন। পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকলেও সাহসিকতার সঙ্গে শাহবাগ থানায় প্রথম সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণ করেন এবং ধীরে ধীরে থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে মাইনুল ইসলাম খান পুলক ছাত্রজীবনে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের একজন সক্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পরে রাষ্ট্রের সেবা করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। সহকর্মী ও স্থানীয় সূত্রের মতে, পেশাগত জীবনে নানা প্রতিকূলতা থাকলেও তিনি সততা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি নিয়মিত প্রাপ্য পদোন্নতি পাননি। অনেকের মতে, বিভিন্ন সময় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে তার পদোন্নতির বিষয়টি দীর্ঘদিন আটকে ছিল।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় তার দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই সময়ে অনেক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও মাইনুল ইসলাম খান পুলকের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, সংকটময় সময়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালনের এমন উদাহরণ পুলিশ বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তাদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অধিকাংশ সদস্যই জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করেন এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের এমন ভূমিকা সেই ইতিবাচক দিকটিকেই তুলে ধরে।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com