| শিরোনাম |
|
কবিরহাট বাজারে নিত্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি, পাওয়া হতাশায় ভুগছেন ক্রেতারা
নোয়াখালী (কবিরহাট ) :
|
![]() কবিরহাট বাজারে নিত্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি, পাওয়া হতাশায় ভুগছেন ক্রেতারা ২২ফেব্রুয়ারি (সোমবারবার) বিকেলে কবিরহাট সহ অন্যান্য বাজার সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে,বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন চাউল, ডাউল, তেল, চিনি,বেগুন,শসা, লেবু , গাজর, বেসন, খেজুর, পেঁয়াজ, রসুন,মরিচ, আদা, আলুসহ বিভিন্ন সবজির দাম আগের তুলনায় অনেকটাই বৃদ্ধি কয়েকদিনের ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া তাদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি পণ্যের দাম ২০-৪০ টাকা বেড়েছে। বাজারে সবজির সরবরাহ না কমলেও ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। এতে ক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। এক সপ্তাহ আগে যে শসা দাম পার কেজি ছিল ৪০ টাকা এটি এখন বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকায়। বিশেষ করে লেবুর দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। এক সপ্তাহ আগে লেবুর দাম ছিল প্রতি হালি ছিল ২০-২৫ টাকা। রমজান উপলক্ষে এখন বাজারে প্রতিহালি লেবু ১২০-১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কবিরহাট বাজার ও কালামুন্সী বাজার সহ অন্যান্য বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, প্রতিবছরই রমজানের শুরুতেই আমাদের দেশে বাজারে প্রতিটি পণ্যের দামই বাড়ে। তবে সাধারণ মানুষ এই বিষয়ে প্রশাসনকেই দায়ী করছে , তারা বলছে কবিরহাট উপজেলা প্রশাসনের বাজার গুলুর উপর নজরদারি না থাকায় ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছা মতো দাম হাকাচ্ছে। বাজারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি না থাকলে রমজানের সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ক্রেতারা। আমরা সাধারণ মধ্যবিত্তরা বাজারে এসেই পন্য কিনতে গিয়ে পড়ি বিপাকে। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল অর্ধেক দাম। কিন্তু এখন এসব পন্যের দাম বৃদ্ধিতে আমরা পড়েছি বিপাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রমজান উপলক্ষে পণ্যের দাম কমানো হয় কিন্তু আমাদের দেশে হয় তার উল্টোটা। ব্যবসায়ীরা বলছেন,পাইকারি বাজারের পণ্যের দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজার গুলোতে পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা থাকে না। আমরা কিছু পণ্যের অর্ডার দিলে তারা বলে যে আপাতত মাল স্টকে নেই। কিছুদিন পরে দেখা যায় এই মালগুলোই তারা বেশি দামে বাজারে ছাড়ে। আমাদের কিছুই করার নেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। আবার এ কাস্টমারের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আমরা কম দামে কিনতে পারলে কম দামেই বিক্রি করবো। |