| শিরোনাম |
|
১২ তারিখ জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক জানাজা হবে: হাসনাত
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() ১২ তারিখ জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক জানাজা হবে: হাসনাত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার রংপুর-৪ আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী আখতার হোসেনের পক্ষে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জাতীয় সংসদের ক্ষমতার কাঠামোয় আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যেই এই গণভোট। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কথা বললেও আড়ালে ‘না’ ভোটের পক্ষে কাজ করছে, যা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিএনপির প্রতি আমাদের স্পষ্ট বার্তা—গণভোট নিয়ে মুখে যা বলছেন, মাঠে তার প্রমাণ দিন। দ্বৈত ভূমিকা রেখে জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভব নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমেই সংসদের ক্ষমতার কাঠামো পরিবর্তন হবে এবং জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হবে। জাতীয় পার্টিকে কটাক্ষ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা যখন হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি, তখন ভারতের দোসর জাতীয় পার্টি প্রকাশ্যে না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।’ এনসিপি মনোনীত প্রার্থী আখতার হোসেনের প্রশংসা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আখতার হোসেন শুধু কাউনিয়ার কৃতি সন্তান নন, তিনি সারা বাংলাদেশের সম্পদ। তার জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বগুণ এমন যে, দেশের যেকোনো আসন থেকেই তিনি নির্বাচিত হতে পারেন। কাউনিয়া ও পীরগাছার মানুষ দায়িত্ব নিলে তাকে বিজয়ী করা কেউ ঠেকাতে পারবে না। অর্থ ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এনসিপির কাছে অবৈধ অর্থ নেই এবং তারা চাঁদাবাজি বা জুলুমের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে না। তবে তাদের রয়েছে সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা। ভোটারদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ভোটের আগের দিন যারা শাড়ি, লুঙ্গি কিংবা টাকা নিয়ে আসবে, ১২ তারিখ তাদের প্রত্যাখ্যান করতে হবে। সাময়িক সুবিধার লোভে পড়লে একদিনের আরামের বিনিময়ে পাঁচ বছরের গোলামি করতে হবে। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় মৌলিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সর্বস্তরের জনগণের সমর্থন কামনা করেন। জনসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হালিম, এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের প্রার্থী আখতার হোসেন, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া সজীবসহ এনসিপি ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা। সভায় বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন। |