| শিরোনাম |
|
জুলাই আন্দোলন সংক্রান্ত অভিযোগে চবি শিক্ষককে আটক করলেন শিক্ষার্থীরা
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() জুলাই আন্দোলন সংক্রান্ত অভিযোগে চবি শিক্ষককে আটক করলেন শিক্ষার্থীরা শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আওয়ামীপন্থি ওই শিক্ষক জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত গণহত্যাকে সমর্থন করেছেন এবং ফ্যাসিস্ট শক্তির দোসর হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন। জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক ওই দিন ভর্তি পরীক্ষায় পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি পৃথক তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত চলমান থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের চিঠির ভিত্তিতে তিনি ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্বে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন। বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করতে এগিয়ে গেলে তিনি আইন বিভাগের সামনের পথ এড়িয়ে পেছনের একটি রাস্তা দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে পালানোর সময় শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে ফেলেন। চাকসুর আইন বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি তৌহিদ বলেন, জুলাই আন্দোলনের গণহত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে আইন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভর বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগ আমলে সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থীদের ‘জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে মামলা করেন। তিনি আইন অনুষদের এক শিক্ষার্থী জুবায়েরের বিরুদ্ধে এমন মামলার উদাহরণও তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক ছাত্রলীগকে সরাসরি সহায়তা দিতেন এবং বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গণহত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্ব পেয়ে ক্যাম্পাসে এলে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পালাতে গিয়ে পড়ে গেলে শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে। আটকের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভ বলেন, “তোমরা দেখো, আমি কোনো মৌন মিছিলে বের হইনি। যদি এটা কেউ প্রমাণ করতে পারে, তাহলে স্যারকে ডাকো, আমি শাস্তি মাথা পেতে নেব। আমি বের হইনি।” তিনি আরও বলেন, “আমি একজন সাবেক বিচারক এবং আইনের শিক্ষক। তোমরা প্রমাণসহ বলো—আমি জুলাই আন্দোলনে কোথাও বের হয়েছি কিনা। স্যাররা দেখুন, আমি কোথাও বের হইনি। আমি মৌন মিছিলও করিনি, কিছুই করিনি। তাহলে যেভাবে বলা হচ্ছে, আমি স্টুডেন্টদের কীভাবে বহিষ্কার করব? আমি কি বোর্ড অব রেসিডেন্সের মেম্বার ছিলাম? স্যারকে জিজ্ঞেস করুন—মেম্বার তো পদাধিকার বলে হয়। আমি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।” |