শনিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:০৪:৫৯ পিএম
শিরোনাম মহম্মদপুরে জুয়া খেলার আসরে অভিযান, আটক ৬        সিংড়ায় দিনব্যাপী ইউএনও’র ঝটিকা অভিযান: ভেকুর ২৪ ব্যাটারি জব্দ        গাজীপুর এ হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সিভিল সার্জন কার্যালয় সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলন।       নলছিটিতে খাল খনন কাজের উদ্বোধন ও জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ        কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী        ভোলায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড: প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, মৃত্যুর ভান করে প্রাণে বাঁচল ৮ বছরের শিশু        স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাবের মালিক হলেন মেসি       
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ডেটা সেন্টার খাতে তীব্র বিনিয়োগ বৃদ্ধি
গনকণ্ঠ ডেস্ক
Published : Wednesday, 7 January, 2026
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ডেটা সেন্টার খাতে তীব্র বিনিয়োগ বৃদ্ধি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ডেটা সেন্টার খাতে তীব্র বিনিয়োগ বৃদ্ধি

বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টার খাত দ্রুত সম্প্রসারণের দিকে এগোচ্ছে। জেএলএল-এর ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা বর্তমানে ১০৩ গিগাওয়াট থেকে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ২০০ গিগাওয়াটে পৌঁছাবে।
এই পরিবর্তনের প্রধান চালিকা শক্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুতের চাহিদা সাধারণ ডেটা সেন্টারের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি। এজন্য এই কেন্দ্রগুলোতে ভাড়া খরচও বেশি।


জেএলএল জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে এই খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলার পৌঁছাতে পারে। এর মধ্যে রিয়েল এস্টেট খাতে প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলার এবং ঋণ-অর্থায়নে প্রায় ৮৭০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হতে পারে। সংস্থাটি এটিকে অবকাঠামো খাতে একটি বড় বিনিয়োগ চক্র হিসেবে বর্ণনা করেছে।


উত্তর আমেরিকায় বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণ ডেটা সেন্টার নির্মাণ চলছে। সেখানে প্রায় ১৬ গিগাওয়াট নতুন সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। তবে বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি বড় সমস্যা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে চার বছরের বেশি সময় লাগছে। তাই অনেক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সংরক্ষণের পথ খুঁজছে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারের মোট সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশ এআই কাজের জন্য ব্যবহৃত হবে, যা বর্তমানে প্রায় ২৫ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৭ সালে এআই ব্যবহারে বড় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।


অঞ্চলভিত্তিকভাবে, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার বাজার হিসেবে থাকবে। এছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হবে। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকাতেও নতুন সক্ষমতা যুক্ত হবে।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com