| শিরোনাম |
|
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় তিন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ , আইসিটি আইনে মামলার প্রস্তুতি
আনোয়ারা(চট্টগ্রাম )প্রতিনিধি:
|
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ডেলি আনোয়ারা কর্ণফুলি’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে আনোয়ারা ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী হাবিবুল্লাহসহ তিনজন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের ছবি ব্যবহার করে করা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশন।সংগঠনের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়—প্রতিদিন ৩/৪ শত গাড়ি বালি বিক্রির যে দাবি অপপ্রচারকারী আইডিতে করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য। প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে উদ্দেশ্যমূলক ও পরিকল্পিত মানহানিকর অপপ্রচার বলে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে। এই বিষয়ে সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা প্রকৌশলী হাবিবুল্লাহ বলেন, “নভেম্বর মাসের ১ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত আমি বিদেশে, জাপানে অবস্থান করেছি। ৩০ তারিখ রাতে দেশে ফিরেছি। আমার পরিবারের কেউ বালির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নয়। অথচ আমার ছবি ব্যবহার করে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে—তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা।” তিনি আরও বলেন, “আমি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। আমার মর্যাদা হানির উদ্দেশ্যে এই অপপ্রচার চালানো হয়েছে। আমি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি—খুব শিগগিরই আইসিটি আইনে মামলা দায়ের করবো। পাশাপাশি প্রেস কাউন্সিল ও চট্টগ্রাম তথ্য অধিদপ্তরেও অভিযোগ করেছি।” প্রকৌশলী হাবিবুল্লাহ জানান, তিনি আনোয়ারা বটতলী থেকে গহিরা ধলঘাট পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করছেন। তাঁর ভাষ্য “এই প্রকল্পে কাজ করতে গিয়েই প্রয়োজনীয় বালি সংগ্রহে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তখন আমি কীভাবে বালি বিক্রি করবো ? অপপ্রচারকারীর উদ্দেশ্য স্পষ্ট—মানহানি।” অন্যদিকে, যাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হয়েছে সেই তিনজন প্রকৌশলীই একই ধরনের অভিযোগ তোলেন। প্রকৌশলী মাসুদ পারভেজ বলেন, “আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমাদের পরিবারের একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য রয়েছে। আমার এবং আমার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা বিনষ্ট করার জন্যই আমাদের ছবি ব্যবহার করে এমন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানো হয়েছে। কোনো সাংবাদিক আমাদের বক্তব্য না নিয়েই এই ধরনের সংবাদ পরিবেশন করতে পারেন না।” “যারা ভুয়া আইডি ব্যবহার করে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে বিভ্রান্তি তৈরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা এবং গণমাধ্যমের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করা জরুরি বলে মনে করছেন তিনি। ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশন এ ঘটনাকে সাংবাদিকতার নৈতিকতা লঙ্ঘন, উদ্দেশ্যমূলক মানহানি এবং সামাজিক বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। |