| শিরোনাম |
|
বিএনপিতে গ্রিন সিগন্যাল শতাধিক প্রার্থীকে
♦ দলের নির্বাচনি কৌশল চূড়ান্ত ♦ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে তিনটি টিম কাজ শেষ করেছে ♦ তিন স্তরে গোপন জরিপের পর চলছে সর্বশেষ যাচাইবাছাই ♦ মনোনয়নপ্রত্যাশীদের নিজ এলাকায় জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের পর দেওয়া হচ্ছে গ্রিন সিগন্যাল
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() বিএনপিতে গ্রিন সিগন্যাল শতাধিক প্রার্থীকে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের টার্গেটে অন্তর্র্বতী সরকার এগোচ্ছে কি না?-এ প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘আমি তো দেখছি সরকার এ টার্গেটেই সামনে এগোচ্ছে।’ তা ছাড়া নির্বাচনসংক্রান্ত সুস্পষ্ট নির্দেশনা শিগগিরই নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে দেওয়া হবে বলে স্বীকার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। নির্বাচনি প্রস্তুতির বিষয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি সব সময়ই নির্বাচনমুখী। সুতরাং নির্বাচনি প্রস্তুতি বিএনপির সব সময়ই আছে। এমনকি নির্বাচন কমিশন আগামীকাল নির্বাচনের আয়োজন করলেও বিএনপি প্রস্তুত আছে।’ প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টিকে তিনি স্বাভাবিক নির্বাচনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই উল্লেখ করেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এবার দলের সিদ্ধান্ত হলো একক প্রার্থী নির্ধারণ করা। ২০১৮ সালের মতো একাধিক প্রার্থীকে চিঠি দেওয়া হবে না। সেভাবেই প্রস্তুতি-প্রক্রিয়া চলছে।’ জানা যায়, মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং মনোনয়নপ্রত্যাশীদের বর্তমান অবস্থানও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যাকে মনোনয়ন দিলে সাধারণ ভোটাররা খুশি হবেন, এমন প্রার্থীর হাতেই এবার নির্বাচনের চূড়ান্ত টিকিট তুলে দেবে বিএনপি। এ ক্ষেত্রে কতিপয় মৌলিক নীতি অনুসরণ করা হবে। এজন্য দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে নীতি হিসেবে তিনটি যোগ্যতা অন্যতম মানদ হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে। সেগুলো যথাক্রমে ১. গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই-সংগ্রামে দেশ ও দলের জন্য যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন। ২. যিনি সততার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং এলাকার মানুষের কাছে একজন ভালোমানুষ হিসেবে সুপরিচিত। এবং ৩. ভোটের রাজনীতিতে যিনি তাঁর এলাকায় বেশি জনপ্রিয়। দলটির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র এমন মাপকাঠির কথা নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া জানা যায়, এবারের মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে তরুণ প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পেতে পারেন। আবার দলের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে নবীন-প্রবীণের চমৎকার সমন্বয় ঘটিয়ে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অন্যদিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবার থেকে একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। একই সঙ্গে মিত্রদের তথা সমমনা দলগুলোর জন্যও কিছু আসন ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কিছু চমকও থাকতে পারে এবারের নির্বাচনে। হোমওয়ার্ক হিসেবে এসব প্রস্তুতি কার্যক্রম চালালেও নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার পরই মূলত নির্বাচনকেন্দ্রিক সব কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। তফসিল ঘোষণার পর দলীয়ভাবে মনোনয়নপত্র বিক্রি ও জমা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের পর একক প্রার্থী চূড়ান্ত করবে বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ড। |