| শিরোনাম |
|
ঝিনাইদাহে পুলিশ হত্যা মামলায় ৩৫৩ আসামীর সবাই বেকসুর খালাস
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার পুলিশ কনস্টেবল জিএম ওমর ফারুক হত্যা মামলায় জামায়াত বিএনপির ৩৫৩ জন আসামীর সবাইকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মাহবুব আলম এই রায় প্রদান করেন। ২০১৩ সালে জামায়াত বিএনপি'র নেতা কর্মীরা সরকার বিরোধী আন্দোলন করতে গেলে পুলিশ তাদের উপরে নির্বিচারে গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।এ ঘটনায় জনতার গণপিটুনিতে পুলিশ সদস্য ওমর ফারুক নিহত হন। ওই বছরের ৩ মার্চ হরিনাকুন্ডু থানার এসআই হামিদুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন । মামলায় বিএনপি জামাতের ২২০ জনের নাম উল্লেখ সহ ৪/৫ হাজার অজ্ঞাত আসামের নামে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর শুরু হয় ব্যাপক ধরপাকড় ও নির্বিচারে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড মামলায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা মোতাহার হোসেন, হরিনাকুন্ডু উপজেলা জামায়াতের আমির আলাউদ্দিন মন্ডল, সেক্রেটারি ইদ্রিস আলী, বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন, আজিজুর রহমান ও আনসারসহ শত শত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারের পাশাপাশি চলে পুলিশের বেপরোয়া অর্থ বাণিজ্য। সাধারণ মানুষ ছাড়াও ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও জনপ্রতিনিধি গ্রেপ্তার করে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হয় কোটি কোটি টাকা। ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ পুলিশ ৩৫৩ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এই মামলায় সর্বমোট ৯৭ জন সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হয় তাদের খালাস প্রদান করেন। সরকার পক্ষে অতিরিক্ত পিপি আকিদুল ইসলাম ও আসামি পক্ষে এডভোকেট আব্দুর রশিদ বিশ্বাস মামলাটি পরিচালনা করেন। আসামের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ বিশ্বাস জানান, আসামিরা ন্যায় বিচার পেয়েছেন এজন্য আল্লাহ পাকের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি বলেন সরকার পক্ষ সুনির্দিষ্ট ভাবে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। |