শনিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:০৪:১০ পিএম
শিরোনাম মহম্মদপুরে জুয়া খেলার আসরে অভিযান, আটক ৬        সিংড়ায় দিনব্যাপী ইউএনও’র ঝটিকা অভিযান: ভেকুর ২৪ ব্যাটারি জব্দ        গাজীপুর এ হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সিভিল সার্জন কার্যালয় সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলন।       নলছিটিতে খাল খনন কাজের উদ্বোধন ও জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ        কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী        ভোলায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড: প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, মৃত্যুর ভান করে প্রাণে বাঁচল ৮ বছরের শিশু        স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাবের মালিক হলেন মেসি       
মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান উজ্জ্বীবিত আশার প্রতীক
নিজস্ব প্রতিবেদক :
Published : Sunday, 13 April, 2025

মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিক

জুলাই গণঅভ্যুত্থান উজ্জ্বীবিত আশার প্রতীকস্বৈরাচার উৎখাতে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে সংগঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে উজ্জ্বীবিত আশার প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন মেক্সিকোতে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।

বৃহস্পতিবার মেক্সিকো সিটিতে বাংলাদেশ দূতাবাস উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ৫৪তম স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মুশফিক এমন মন্তব্য করেন। 

এতে গেস্ট অব অনার হিসেব উপস্থিত ছিলেন মেক্সিকো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের মহাপরিচালক ফার্নান্দো গনজালেজ সাইফি। 

মুশফিকুল ফজল বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নের ভিত্তিটা ছিলো একটি গণতান্ত্রিক এবং সকলের অংশগ্রহণমূলক দেশ গড়ে তোলা। পাঁচ দশকের বেশি সময় পর আজও সেই স্বপ্ন পূরণের যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকারের অধিকার আদায়ে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে রুখে দাঁড়াতে হয়েছে। সাহস এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়ে যাওয়া ছাত্র-জনতা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে তৈরি করেছেন বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস।

তিনি বলেন, ২৬ মার্চ প্রতিটি বাংলাদেশির হৃদয়ে মর্যাদার জায়গা দখল করে রয়েছে। এই দিন থেকে আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। জনগণের মুক্তির সে সংগ্রামে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জন্ম হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের।

এই রাষ্ট্রদূত বলেন, যুদ্ধটা শুধু বিদেশি শক্তির অধীনতা থেকে মুক্তির যুদ্ধ ছিলোনা বরং যুদ্ধটা ছিলো শোষণ, বৈষম্য এবং অন্যায় থেকে মুক্তি লাভের। স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নের ভিত্তিটা ছিলো একটি গণতান্ত্রিক এবং সকলের অংশগ্রহণমূলক দেশ গড়ে তোলা।

মুশফিক বলেন, পাঁচ দশকের বেশি সময় পর আজও সেই স্বপ্ন পূরণের যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকারের অধিকার আদায়ে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে রুখে দাঁড়াতে হয়েছে। সাহস এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়ে যাওয়া ছাত্র-জনতা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে তৈরি করেছেন বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি বিক্ষোভ নয় বরং আমাদের উজ্জ্বীবিত আশার প্রতিক। এই আশাকে বাস্তবে রুপ দিতে নোবেলজয়ী . মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাহস এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সংবিধান, নির্বাচন, বিচার বিভাগ, পুলিশ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই-- এই প্রধান বিষয়গুলোর সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে।

দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত মুশফিক বলেন, কার্যকর সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশের সাহসী জনগণের কারণে দেশের অর্থনীতি এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পাচ্ছে, এবং আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় হচ্ছে। এটা খুব গর্বের বিষয় যে এই মুহূর্তে ঢাকায় বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে যেখানে ৫০ এর অধিক দেশের শতাধিক বিনিয়োগকারী বাংলাদেশের তাদের বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা যাচাই করছেন। বিশ্ব এখন বাংলাদেশের দিকে নতুন দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে। তারা যা দেখছে তাতে আপ্লুত হচ্ছে।

মেক্সিকোর সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রদূত মুশফিক বলেন, আমরা যখন ভবিষ্যত বিনির্মানের পথে হাঁটছি তখন মেক্সিকোর সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব আলাদ গুরুত্ব তৈরি করছে। ২০২৫ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি পূর্ণ হবে। এই সোনালী মাইলফলককে উদযাপন করতে বাংলাদেশ মেক্সিকোতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং কূটনৈতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে বছরের শেষ দিকে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের ৩য় ফরেন কনস্যুলার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ এবং মেক্সিকো একই নীতি অনুসরণ করে। ব্যবসা, সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং উদ্ভাবনে দুই দেশের অংশীদারিত্ব রয়েছে। বাংলাদেশের পোশাক, ঔষুধ, পাট এবং শিক্ষা খাতে মেক্সিকোর জন্য অপার সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে। আজকের এই আয়োজন আমার দেশের জনগণ, বাণিজ্য এবং স্বপের সঙ্গে মেক্সিকোকে এক সুতোয় গেঁথে দেবার প্রচেষ্টা।

মেক্সিকো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ফার্নান্দো গনজালেজ সাইফিতার বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এবং জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। অ্যাম্বাসেডর সাইফি



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com