| শিরোনাম |
|
জাবালিয়া ছাড়তে ফিলিস্তিনিদের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি, হামলার হুমকি ইসরায়েলের
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() জাবালিয়া ছাড়তে ফিলিস্তিনিদের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি, হামলার হুমকি ইসরায়েলের মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র আভিখাই আদরায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, জাবালিয়ার বাসিন্দাদের দ্রুত দক্ষিণের আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে হবে, নইলে হামলা চালানো হবে। এর আগে, বেইত লাহিয়া ও বেইত হানুনের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী। বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের আরেকটি ধাপ। উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একসময় ফিলিস্তিনিদের গাজা উপত্যকা ছেড়ে মিসর ও জর্ডানে চলে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন, যা বিশ্বনেতাদের কড়া প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়ে। এদিকে, মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সোমবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান। অন্যদিকে, গাজার যুদ্ধবিরতি পুনরুদ্ধারের জন্য মিসর একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। এই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, হামাস প্রতি সপ্তাহে পাঁচজন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেবে এবং প্রথম সপ্তাহের পর ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর করবে। দুটি নিরাপত্তা সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আল জাজিরা ও প্যালেস্টাইন টুডের সাংবাদিকও রয়েছেন। নতুন করে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ৪০০ জন নারী ও শিশু। ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর দমন-পীড়ন ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের নিষ্ক্রিয়তা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে এই যুদ্ধ শুধুমাত্র গাজা নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আরও ভয়াবহ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। |