| শিরোনাম |
|
পাবনায় আলোচিত হোসেন আলী হত্যা মামলায় জামায়াত নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
মোঃ মনিরুজ্জামান, পাবনা:
|
![]() পাবনায় আলোচিত হোসেন আলী হত্যা মামলায় জামায়াত নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শনিবার (১৩ জুন) প্রেসক্লাব পাবনার হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গয়েশপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ হোসেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ৮ জুন পাবনা জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসা গেটের সামনে হোসেন আলীকে প্রকাশ্যে ও পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলার এজাহারে ৯ জনকে আসামি করা হলেও এখন পর্যন্ত তাদের কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, মামলার এজাহারে নাম না থাকা পাঁচজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ও ব্যবসায়ী মো. খলিলুর রহমানও রয়েছেন। তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, নিহত হোসেন আলীর ছেলে, স্ত্রী ও ভাই বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমের সামনে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের নাম উল্লেখ করলেও প্রকৃত অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে। এতে বিচার প্রক্রিয়া ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনটির। জামায়াত নেতারা বলেন, প্রকৃত হত্যাকারীদের আড়াল করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তারা প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার না করার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো, হোসেন আলী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনা, অভিযোগবিহীনভাবে গ্রেফতারকৃত জামায়াত নেতা খলিলুর রহমানসহ অন্যদের মুক্তি এবং নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাবনা সদর উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুর রব, আইনবিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, গয়েশপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি সাব্বির আহমদ, সদর পূর্ব থানা শাখা শিবিরের সভাপতি ফয়সাল শেখ এবং গ্রেফতারকৃত জামায়াত নেতা খলিলুর রহমানের ছেলে খাইরুল ইসলাম। |