| শিরোনাম |
|
এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর ইউএনও, আপ্যায়ন নিয়েও ক্ষোভ লোহাগড়ায় জুলাই যোদ্ধাদের বিক্ষোভমুখর সভা
নড়াইল প্রতিনিধি:
|
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহিদ পরিবারের কল্যাণ এবং পুনর্বাসন সংক্রান্ত উপজেলা কমিটির সভায় দেরিতে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সার। নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পর সভা শুরু হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন জুলাই যোদ্ধারা। একই সঙ্গে সভায় আপ্যায়নের মান নিয়েও অসন্তোষ দেখা দেয়।সোমবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। উপজেলা সমাজসেবা অফিস সূত্রে জানা যায়, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত” উপজেলা কমিটির সভা উপলক্ষে আগেই নোটিশ জারি করা হয়। সভায় আলোচ্যসূচিতে ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী আহতদের তালিকা যাচাই-বাছাই, তালিকা অনুমোদন এবং বিবিধ বিষয়। অভিযোগ রয়েছে, মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ে সভা শুরু হয়নি। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ইউএনও শাম্মী কায়সার সভাকক্ষে এসে সভা পরিচালনা করেন। এতে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। সভায় অংশ নেওয়া কয়েকজন জুলাই যোদ্ধা জানান, তাদের জন্য যে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয় তা ছিল খুবই সামান্য। প্রত্যেককে দুটি সিঙ্গারা ও এক প্যাকেট বিস্কুট দেওয়া হয়। পরে এ নিয়ে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করলে সভার শেষ দিকে একটি করে পানির বোতল দেওয়া হয়। এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শামীম রেজা বলেন, “আজকের সভার কোনো খাবারের বরাদ্দ ছিল না। জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানের কথা চিন্তা করে আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার বেতনের টাকা থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকা খরচ করে ৫০ জনের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেছি।” এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিকদের পরে আসতে বলেন। এদিকে শহীদ সালাউদ্দিনের স্ত্রী এবং লোহাগড়া উপজেলা জুলাই যোদ্ধা কামরুজ্জামান সভা ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান দেখানো হয়নি। |