| শিরোনাম |
|
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেঁরির ট্যাবলেট খেয়ে নারী-পুরুষের আত্মহত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর উপজেলায় পৃথক স্থানে কেঁরির ট্যাবলেট খেয়ে এক নারী ও এক পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (১৭ মে) সদর উপজেলায় পৃথক সময়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত শারমিন আক্তার (১৯) সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের পারুলিয়া পাড়া এলাকার ইলিয়াস মিয়ার মেয়ে। প্রায় চার বছর আগে মধ্যমেড্ডা এলাকার মৃত রহিম মিয়ার ছেলে রিফাত মিয়ার সঙ্গে তার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি উত্তর সুহিলপুর আনসার-বিডিআর ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করতেন। তার স্বামী রিকশাচালক। নিহতের মামানি তাকমিনা আক্তার জানান, রোববার দুপুরে শারমিন নিজেই কেঁরির ট্যাবলেট সেবন করেন। পরে অসুস্থ অবস্থায় স্বামী তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভর্তি করার পরপরই তিনি মারা যান। পরিবারের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। অন্যদিকে, নিহত ইয়াসিন মিয়া (৩৫) সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের উত্তর সুহিলপুর গ্রামের মনসুর মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৪টার দিকে কেরির ট্যাবলেট খেয়ে বাড়িতে ফেরেন ইয়াসিন। পরিবারের সদস্যরা তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কিছু না বলে হঠাৎ মায়ের পায়ে ধরে ক্ষমা চান। পরে পরিবারের লোকজন দ্রুত তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। তিনি দুইটি বিয়ে করেছিলেন এবং চার সন্তানের জনক ছিলেন। এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, পৃথক ঘটনায় দুইজন কেরির ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। |