শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬ ০৪:০৩:২৪ এএম
শিরোনাম বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ, নিহত ১২       ঢাকাস্হ আজমিরীগন্জ উপজেলা এসোসিয়েশনের ইফতার অনুস্ঠিত        "ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬" ঠিক কতটা যুক্তিসঙ্গত?       আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সপ্তাহজুড়ে উদ্যোগে সমতা ও অংশীদারিত্বের বার্তা বাংলালিংকের       ইরানের হামলায় ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে উপসাগরীয় দেশগুলো       ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ       ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল      
মেঘনায় ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কা, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা
মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
Published : Sunday, 8 February, 2026
মেঘনায় ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কা, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা

মেঘনায় ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কা, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা

মেঘনা উপজেলার ৪৭ নং বল্লভের কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবনের ভীম গতকাল গভীর রাতে ধসে পড়েছে। সৌভাগ্যক্রমে ঘটনাটি রাতে হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে স্কুলের শিক্ষার্থীরা। সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের চারটি কক্ষের মধ্যে তিনটির ভীম ভেঙে পড়েছে। ফলে পুরো ভবনটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা স্কুল ভবনের বারান্দায় ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১১ বছর ধরেই বিদ্যালয় ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

অভিভাবকদের প্রশ্ন, ক্লাস চলাকালে যদি এই ভীম ভেঙে পড়তো, তাহলে দায়িত্ব কে নিতো? তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকির মধ্যেই শিশুদের পড়াশোনা করতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন, “দীর্ঘ ১১ বছর ধরে স্কুল ভবনের এই করুণ অবস্থার কথা বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

অভিভাবক রুবিনা বেগম বলেন, “রাতে ভীম পড়েছে বলেই আমাদের বাচ্চাগুলো বেঁচে গেছে। দিনে হলে কী ভয়াবহ অবস্থা হতো ভাবতেই গা শিউরে ওঠে। ভোটের সময় সবাই আশ্বাস দেয়, কিন্তু কাজের বেলায় কেউই পাশে থাকে না।”
আরেক অভিভাবক সোবান মিয়া বলেন, “শিক্ষাব্যবস্থা ভালো করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিরাপদ করতে হবে। আতঙ্ক নিয়ে বাচ্চারা কীভাবে পড়াশোনা করবে, আর শিক্ষকরা কীভাবেই বা পাঠদান করবেন?” অভিভাবক মোহাম্মদ শেখ আলম দ্রুত বিদ্যালয়টি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেন, “দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমরা আমাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানো বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবো।” এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গাজী মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি বর্তমানে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করছি। স্কুলটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। নতুন ভবনের জন্য একাধিক বিদ্যালয়ের বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। তবে আপাতত এই ভবনে পাঠদান সম্ভব নয়। ইউএনও মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করে অস্থায়ীভাবে একটি টিনশেড ঘরে পাঠদানের ব্যবস্থা করা হবে।”

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমি বর্তমানে নির্বাচনী কাজে কুমিল্লা জেলায় একটি মিটিংয়ে আছি। এ বিষয়ে এখনো কেউ আমাকে অবহিত করেননি। আমি ফিরে এসে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখবো।” এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত নিরাপদ স্কুল ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com