| শিরোনাম |
|
সালিশি অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নিষিদ্ধ
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() সালিশি অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নিষিদ্ধ হাইকোর্ট ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি রুল জারি করে জানতে চেয়েছিল, পারিবারিক জীবন রক্ষার স্বার্থে বহুবিবাহ আইনের নীতিমালা কেন প্রণয়ন করা হবে না। রুলের শুনানি শেষে গত বছরের ২০ আগস্ট হাইকোর্ট রুলটি খারিজ করে দেয় এবং মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর বহুবিবাহ সংক্রান্ত ধারা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। আইনজীবী ইশরাত হাসান জানান, এই রায়ে নারীর সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী নিতে পারবেন, তবে সবার প্রতি সমানভাবে সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে। শুধু বিয়ে করার অনুমতি থাকলেই হবে না, কিভাবে সমান সুবিচার করা হবে তার বিধানও থাকা প্রয়োজন। অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ছাড়া নতুন বিবাহ বৈধ হবে না। অনুমতির জন্য আবেদন জমা দিতে হবে এবং বর্তমান স্ত্রীদের সম্মতিও উল্লেখ থাকতে হবে। আবেদন গ্রহণের পর প্রার্থী এবং বর্তমান স্ত্রীদের প্রতিনিধি মনোনীত করা হবে। সালিশি কাউন্সিল যদি বিবাহকে প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সংগত মনে করে, তবে আবেদন মঞ্জুর করবে। সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করা হবে এবং পুনর্বিবেচনার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করা যাবে, যার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে বর্তমান স্ত্রীদের স্থগিত দেনমোহর পরিশোধ বাধ্যতামূলক হবে, এবং দণ্ডনীয় অপরাধে এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় ধরনের দণ্ড আরোপ করা হবে। |